ইসলামসহ অন্যান্য সকল ধর্মে দান এবং তার মাহাত্ম্যের যে কথা বলা হয়েছে, আমাদের সমাজে প্রচলিত ভিক্ষা-ব্যবসা কোনোভাবেই তার আওতায় পড়ে না। সমপ্রতি সাপ্তাহিক ২০০০, দৈনিক যায়যায়দিন ও দৈনিক ইত্তেফাকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ সংক্রান্ত কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মাটির ব্যাংক
নিয়মিত দানের ফলে আর্থিক কোনো চাপ পড়ে না। দাতা এর মাধ্যমে শুধু পারলৌকিক পুণ্য অর্জনের সুযোগই পান না, দৈনন্দিন জীবনেও পাচ্ছেন প্রাচুর্য, দুরারোগ্য ব্যধি থেকে মুক্তি এবং বালা-মুসিবত মুক্তি। আর এই ক্ষুদ্র দান একত্রিত হয়ে গড়ে উঠেছে সৃষ্টির সেবায় সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করার এক বিশাল তহবিল। সৃষ্টির সেবায় বিভিন্ন কাযর্ক্রম পেয়েছে নতুন গতি।
মাটির ব্যাংক কেন?
বিদেশি সাহায্যে বা দাতাগোষ্ঠীর সৌজন্যে নয়, স্ব-অর্থায়নে বাংলাদেশেও পরিচালিত হতে পারে সফল সেবা প্রকল্প- শুরু থেকে এটাই ছিলো ফাউন্ডেশনের আদর্শ। কারণ ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে বাইরের সাহায্য নিয়ে বড় কিছু করা যায়না আর জাতিগতভাবে আমরা দাতার জাতি। তাই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় এর সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের আর্থিক অনুদানে। মাটির ব্যাংক এ প্রক্রিয়ারই একটি উপকরণ।
আপনিও অংশ নিন
বিস্তারিত পড়ুন
অবিশ্বাস্য সাফল্যের নেপথ্যে
এই অবিশ্বাস্য সাফল্যের নেপথ্যে হচ্ছে এক শাশ্বত সত্য। আল কোরআন, গীতা, বাইবেল ত্রিপিটক তথা সকল ধর্মের শিক্ষা হচ্ছে :
- -দান উপার্জনকে শুদ্ধ করে
- -দারিদ্র্য মোচন করে
- -রিজিকে বরকত দেয়
- -বালা-মুসিবত ও রোগ-ব্যধি দূর করে
- -ভয়-পেরেশানি ও দুঃখ-কষ্ট দূর করে
- -পাপ মোচন ও দাতার অন্তরে তৃপ্তি প্রদান করে।
প্রশান্তি ও প্রাচুর্যের জন্যে দানের গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে বলার ...
বিস্তারিত পড়ুনদান যে শুধু প্রাচুর্য আনে তা নয়, বালা-মুসিবত, ভয়-পেরেশানি, দুঃখ-কষ্টও দূর করে। আল-কোরআনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যারা তাদের উপার্জন থেকে রাতে বা দিনে, প্রকাশ্যে বা গোপনে, সচ্ছল বা অসচ্ছল অবস্থায় দান করে তাদের জন্যে পুরস্কার রয়েছে। তাদের কোনো ভয় বা পেরেশানি থাকবে না। (২:২৭৪)
ঋগ্বেদে বলা হয়েছে, ‘নিঃশর্ত দানের জন্যে রয়েছে চমৎকার পুরস্কার। তারা লাভ করে আশীর্বাদধন্য দীর্ঘ জীবন ও অমরত্ব।’ (১:১২৫)।
যখন দান কর গোপনে দান কর। ডান হাত কী দিচ্ছে বাম হাত যেন জানতে না পারে। তোমার নীরব দান সদাপ্রভু দেখছেন। তিনি তোমাকে পুরস্কৃত করবেন।[মথি ৬:৩-৪]
বুদ্ধবাণীতে বলা হয়েছে, কেউ যখন কাউকে দান করতে বাধা দেয় তখন সে তিনটি অন্যায় করে। প্রথমত, সে দাতাকে একটি ভালো কাজ থেকে বিরত করে। দ্বিতীয়ত, সে গ্রহীতাকে সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে। তৃতীয়ত, নীচতার প্রকাশ ঘটিয়ে সে নিজের সত্তাকেই অপমানিত করে। (অংগুত্তর নিকয়া সূত্র নং ৫৭)





