banner picture

সদকা হিলিং

সদকা নিরাময়ের অনুঘটক। ধ্যানের স্তরে অসুস্থ ও সমস্যাগ্রস্তের জন্যে দোয়ার সাথে সদকা যুক্ত হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিরাময় হয় দ্রুত। বালা-মুসিবত দূর হয়ে যায় বুদবুদের মতো। গত এক দশকে হাজার হাজার মানুষ এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়ে নিরাময়কে ত্বরান্বিত করেছেন, বালা-মুসিবত থেকে মুক্ত হয়েছেন। সদকা দেয়ার সাথে সাথেই শুরু হয়ে যায় নিরাময় প্রক্রিয়া। সদকার পরিমাণ যত বেশি হয়, নিরাময় প্রক্রিয়া তত ত্বরান্বিত হয়।


    হিলিংয়ে নাম দেবো কীভাবে?

    ১. ফাউন্ডেশনের প্রতিটি সেন্টারে প্রতিদিন যৌথ হিলিং অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হিলিং ফরমে যে-কেউ নিরাময়প্রার্থীর নাম, ঠিকানা ও সমস্যা উল্লেখ করে জমা দিতে পারেন।

    ২. মাসিক কোয়ান্টায়নে জালালিতে হয় বিশেষ হিলিং। বিশেষ কোয়ান্টাম সমমর্মী অনুরণনময় এ যৌথ হিলিং-এর জন্যে আগেই নাম দিন।
    ৩. প্রত্যেক রমজানে প্রতিদিন হিলিং এবং আখেরি দোয়ায় বিশেষ হিলিং অনুষ্ঠিত হয়।
    বিস্তারিত পড়ুন
৪. একবার থেকে শুরু করে যতবার খুশি এমনকি সারা বছরের জন্যেও আপনি হিলিং-এ নাম দিতে পারেন।
৫. প্রতিবার হিলিং বাবদ নিরাময়প্রার্থীর ন্যূনতম সদকার পরিমাণ হলো ৪০ টাকা। আপনি চাইলে এর চেয়ে বেশিও সদকা দিতে পারেন।

কোয়ান্টাম হিলিং ও সাইকি ওরিয়েন্টেশন

অতিচেতন স্তরের এ জ্ঞানকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রয়োগের জন্যে প্রয়োজন যথাযথ মানসিক প্রস্তুতি, তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ শক্তি এবং প্রকাশের দক্ষতা যা চর্চা বা অনুশীলন ছাড়া আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। এজন্যেই কোয়ান্টাম হিলিং ও সাইকি ওরিয়েন্টেশন। দুদিনব্যাপী এ কোর্স আপনার নিজের ও অন্যের নিরাময় ও কল্যাণ সাধনের কার্যকরী প্রক্রিয়াকে আরো শাণিত করবে আর আপনি লাভ করবেন নিয়মিত হিলিং সেশনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ।


হিলিং ও সাইকি ওরিয়েন্টেশন শাণিত করবে-

  • আত্মনিরাময় লাভের প্রক্রিয়া।
  • অন্যের (পরিচিত/অপরিচিত) রোগ নির্ণয়, রোগ নিরাময় ও কল্যাণ কামনার প্রক্রিয়া।
  • পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্ক উন্নয়ন, ইন্টারভিউ ও ভাইভা বোর্ডে সাফল্য, পেশাগত উন্নতির জন্যে অন্যের সহযোগিতা লাভসহ কমান্ড সেন্টারের সার্বিক ব্যবহারের শক্তি।
  • কথায়, কাজে ও সিদ্ধান্তে প্রজ্ঞা। অর্থাৎ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার সামর্থ্য।
  • উপলব্ধির ভিন্ন মাত্রা এবং এর জ্ঞানকে কাজে লাগাবার সামর্থ্য।
  • সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে দক্ষতা।
  • ভালো কাজে অন্যকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমতা।
  • নিরাময় ও অতীন্দ্রিয় শক্তির জগতে আপনার সফল বিচরণ আপনাকে পরিণত করবে কালজয়ী অনন্য মানুষে।

তিনি আছেন সবার দোয়ায়

মরহুম ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবীর, হিলিং প্রেম তাঁকে পরিচিত করেছিলো হিলিং ইঞ্জিনিয়ার নামে। পরিচিত-অপরিচিত সবার জন্যেই একই দরদ নিয়ে দোয়া করতেন। সাপ্তাহিক হিলিংয়ের একটি বুধবারও বাদ দেন নি। দেশের বাইরে থাকলেও বাংলাদেশ সময় মিলিয়ে হিলিং মেডিটেশনে বসে যেতেন। প্রায়ই বলতেন, ‘কোনো বুধবার যদি হিলিংয়ে না আসতে পারি তাহলে সেটাই যেন হয় পৃথিবীতে আমার শেষ দিন’। আল্লাহ তাকে কবুল করেন। ২৯ আগস্ট ২০০৭ এমনি এক বুধবারে চট্টগ্রাম সেন্টারের উদ্দেশ্যে বেরোন তিনি। পথে দ্রুতগামী এক ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে তিনি প্রাণ হারান। ফাউন্ডেশন সে বছর পবিত্র রমজানসহ পরবর্তী ৪০ দিনের সকল নেক কাজের সওয়াব তাঁর কল্যাণে উৎসর্গ করে।