banner picture

কোয়ান্টা

ওরা কোয়ান্টা। কোয়ান্টাম শিশুকাননের মেধাবী আর তুখোড় শিক্ষার্থী। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার একটি মানবিক উদ্যোগ কোয়ান্টাম শিশুকানন। অসহায় ও বঞ্চিত শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সদস্যদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানে সংগঠিত এ কার্যক্রম শুরু হয় ২০০১ সালে বান্দরবানের লামায় মাত্র ৭ টি মুরং শিশুকে নিয়ে। এখন এখানে রয়েছে ১৬ টি জাতিগোষ্ঠীর ৫ শত শিশু। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, ক্রামা, খ্রিষ্টান এবং প্রকৃতিপূজারী - সকল ধর্মের শিশুরাই যার যার ধর্ম পালন করছে আর একসাথে গড়ে উঠছে আলোকিত মানুষ হিসেবে।


কোয়ান্টাম কসমো স্কুল

বঞ্চিত জনপদের এক আলোকিত শিক্ষালয়ের নাম কোয়ান্টাম কসমো স্কুল। শিক্ষা ও সুযোগ পেলে যেকোনো মানুষই যে তার মেধাকে বিকশিত করতে, পারে তার প্রতিভার স্বীকৃতিকে আদায় করে নিতে তারই এক উজ্জ্জ্বল দৃষ্টান্ত এ কসমো স্কুল। ...

বিস্তারিত

এত বৈচিত্র আর কোথাও নেই

বাঙালি ছাড়াও বাংলাদেশের অধিকাংশ আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিশুই আছে কোয়ান্টাম শিশুকাননে। এর মধ্যে বান্দরবানের ১৫টি জাতিগোষ্ঠীর ১৩টি থেকেই শিশুরা রয়েছে এখানে। এরা হলো মার্মা, ম্রো বা মুরং, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খিয়াং, ত্রিপুরা, লুসাই, খুমি, চাক, চাকমা, রাখাইন এবং পাঙ্খো।

বিস্তারিত


Related pic

রিং ইয়ার সাথে একদিন

দূরে কোনো এক পাহাড় থেকে ভেসে আসছে মিষ্টি এক সুর। এক অদ্ভুত আনন্দের অনুভূতি হচ্ছে রিংইয়ার। তন্ময় হয়ে সেই সুরের ভেলায় ভাসতে ভাসতে রিংইয়া চিনতে পারলো এই সুর হচ্ছে সুন্দর আরেকটা দিনশুরুর কোমল আহ্বান। প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৪ টায় ক্যাসেট প্লেয়ারে বাজানো হয় সুর-

তারপর...
Related pic

ওরা হয়ে উঠছে অল রাউন্ডার

কোয়ান্টাম শিশুকাননের প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠছে নিবিড় তত্ত্বাবধান ও প্রশিক্ষণে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে শুরু করে খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা, শারীরিক প্রশিক্ষণ, ব্যায়াম, মেডিটেশন, নৈতিক মানবিক ও আত্মিক শিক্ষা সবকিছুতেই দীক্ষিত করা হচ্ছে এদের।

তারপর...

ভর্তি প্রক্রিয়া

শিশুদের ভর্তিপ্রক্রিয়াটিও উল্লেখ করার মতো একটি বিষয়। ভর্তি পরীক্ষার নির্দিষ্ট দিনের কয়েক মাস আগ থেকেই শুরু হয় এ প্রক্রিয়া। বান্দরবান জেলাসহ রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত এলাকা থেকেও যাতে শিশুরা ভর্তিপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে এজন্যে প্রতিটি জায়গায় স্থানীয়ভাবে ফরম বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়। ভর্তি পরীক্ষাটি হয় সাধারণত ২ বা ৩ দিনব্যাপী। একেক দিন একেক অঞ্চলের শিশুদের আসতে বলা হয়। সে হিসেবে অভিভাবকরা চলে আসেন ১ দিন বা ২ দিন আগে। সে এক দেখার মতো দৃশ্য।

বিস্তারিত পড়ুন
কতটা আকুতি থাকলে

বান্দরবানের থানচি থেকে (৬০-৭০) কি.মি.

Pages